মোঃ নাজমুল, মতলব:টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে চাঁদপুরেরর মতলব উত্তর উপজেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। এতে বাজারে ক্রেতা ও সড়কে যাত্রী কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন দিন এনে দিন খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। অটোরিকশা, রিকশা ও ভ্যানচালক, দিনমজুর, হকার এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় অনেক ক্ষেত্রে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার ছেংগারচর,নতুন বাজার,সুজাতপুর,কালির বাজার, কালিপুর, সাহেব বাজার, এখলাসপুর ও মোহনপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, টানা বর্ষণে অধিকাংশ বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল কম। নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। কাঁচা সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
অটোচালক কামাল হোসেন বলেন, আগে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা আয় হলেও এখন ৭০০ টাকাও হচ্ছে না। অথচ গাড়ির কিস্তি, চার্জ ও সংসারের খরচ আগের মতোই বহন করতে হচ্ছে।
"
চা বিক্রেতা মাসুদ বলেন, বৃষ্টির দিনে মানুষ বাজারে কম আসে। সারাদিন দোকান খোলা রাখলেও বিক্রি আশানুরূপ হয় না। অনেক সময় তৈরি করা চাও বিক্রি না হওয়ায় ফেলে দিতে হয়।
ভ্যানচালক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টি বাড়লে আয় আরও কমে যায়। দিনমজুর করিম মিয়া জানান, নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় টানা তিন দিন কোনো কাজ পাননি। সংসারের খরচ চালাতে ধার করতে হচ্ছে।
মুদি ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া ইসলাম বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য কোনো পণ্যের বিক্রি নেই বললেই চলে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আরও বড় সংকটে পড়বেন।
সবজি বিক্রেতা আর্শাদ হোসেন বলেন, বৃষ্টিতে সবজি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ক্রেতাও কমে গেছে। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে। কাপড় ব্যবসায়ী শামীম মিয়া বলেন, ঈদের পর থেকেই ব্যবসা কিছুটা মন্দা ছিল। টানা বৃষ্টিতে সেই মন্দা আরও বেড়েছে। সুজাতপুর বাজারের ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল জানান, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
ছবি :এআই

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
মোঃ নাজমুল, মতলব:টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে চাঁদপুরেরর মতলব উত্তর উপজেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। এতে বাজারে ক্রেতা ও সড়কে যাত্রী কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন দিন এনে দিন খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। অটোরিকশা, রিকশা ও ভ্যানচালক, দিনমজুর, হকার এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় অনেক ক্ষেত্রে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার ছেংগারচর,নতুন বাজার,সুজাতপুর,কালির বাজার, কালিপুর, সাহেব বাজার, এখলাসপুর ও মোহনপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, টানা বর্ষণে অধিকাংশ বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল কম। নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। কাঁচা সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
অটোচালক কামাল হোসেন বলেন, আগে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা আয় হলেও এখন ৭০০ টাকাও হচ্ছে না। অথচ গাড়ির কিস্তি, চার্জ ও সংসারের খরচ আগের মতোই বহন করতে হচ্ছে।
"
চা বিক্রেতা মাসুদ বলেন, বৃষ্টির দিনে মানুষ বাজারে কম আসে। সারাদিন দোকান খোলা রাখলেও বিক্রি আশানুরূপ হয় না। অনেক সময় তৈরি করা চাও বিক্রি না হওয়ায় ফেলে দিতে হয়।
ভ্যানচালক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টি বাড়লে আয় আরও কমে যায়। দিনমজুর করিম মিয়া জানান, নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় টানা তিন দিন কোনো কাজ পাননি। সংসারের খরচ চালাতে ধার করতে হচ্ছে।
মুদি ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া ইসলাম বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্য কোনো পণ্যের বিক্রি নেই বললেই চলে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আরও বড় সংকটে পড়বেন।
সবজি বিক্রেতা আর্শাদ হোসেন বলেন, বৃষ্টিতে সবজি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ক্রেতাও কমে গেছে। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে। কাপড় ব্যবসায়ী শামীম মিয়া বলেন, ঈদের পর থেকেই ব্যবসা কিছুটা মন্দা ছিল। টানা বৃষ্টিতে সেই মন্দা আরও বেড়েছে। সুজাতপুর বাজারের ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল জানান, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
ছবি :এআই

আপনার মতামত লিখুন