খবরের দর্পন
সর্বশেষ
অধ্যাপক ফাহাদ বিন জায়েদের জাতীয় পার্টিতে যোগদান

অধ্যাপক ফাহাদ বিন জায়েদের জাতীয় পার্টিতে যোগদান

ইসমাইল খান টিটু:--জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ফাহাদ বিন জায়েদ।জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যোগদান অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাংস্কৃতিক পার্টির সভানেত্রী সাবেক এমপি শেরীফা কাদের, চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর (অব.) মাহফুজ আহমেদসহ জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ও মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ফাহাদ বিন জায়েদকে জাতীয় পার্টিতে স্বাগত জানান দলের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, তাঁর যোগদানের মাধ্যমে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং মুন্সিগঞ্জসহ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দলের কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হবে।যোগদান অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ দলের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

নির্বাচিত হলে বেতন-ভাতা ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে ব্যয় করব: শাহ আলম লস্কর

নির্বাচিত হলে বেতন-ভাতা ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে ব্যয় করব: শাহ আলম লস্কর

ইসমাইল খান টিটু:আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও মতলব উত্তর উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম লস্কর গণসংযোগ ও মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছেন। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা, দোয়া ও আল্লাহর রহমতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে নিজেকে ইউনিয়নের মানুষের সেবক হিসেবে নিয়োজিত করবেন। শাহ আলম লস্কর বলেন, আমি যদি আল্লাহর ইচ্ছায় গজরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সেবক হয়ে কাজ করব। জনগণের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে থাকব এবং একটি আধুনিক, শিক্ষাবান্ধব, মাদকমুক্ত ও কল্যাণমুখী ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব।শাহ আলম লস্কর বলেন, একটি এলাকার সার্বিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হলো শিক্ষা। তাই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত লেখাপড়ায় উৎসাহিত করা এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের নিয়ে কাজ করবেন। শাহ আলম লস্কর বলেন, আমি চাই গজরা ইউনিয়ন শিক্ষায়, সামাজিক মূল্যবোধে ও মানবিকতায় একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিতি লাভ করুক। শিক্ষিত ও সচেতন প্রজন্মই একটি উন্নত সমাজ গঠনের সবচেয়ে বড় শক্তি।ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে শাহ আলম লস্কর বলেন, প্রতিদিন মাগরিবের নামাজের পর থেকে রাত সাড়ে ৯টা কিংবা ১০টা পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করলে তারা অবশ্যই ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে এবং ভবিষ্যতে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। জীবনে সফলতার জন্য শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। সাবেক ছাত্রনেতা শাহ আলম লস্কর আরও বলেন, আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই, তাহলে সরকার থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে যে বেতন, সম্মানী ও ভাতা পাব, সেই অর্থ ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যয় করব না। বরং ইউনিয়নের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণ, শিক্ষা সহায়তা, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সেই অর্থ ব্যয় করব। জনগণের সেবা করাই হবে আমার প্রধান দায়িত্ব ও একমাত্র লক্ষ্য।শাহ আলম লস্করের এসব ঘোষণা ও অঙ্গীকার স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষা, মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনপ্রতিনিধির সম্মানী জনগণের কল্যাণে ব্যয়ের মতো বিষয়গুলোকে নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরায় গজরা ইউনিয়নের ভোটারদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম: মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী থেকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক দায়িত্বে

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম: মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী থেকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক দায়িত্বে

স্টাফ রিপোর্টার:-----বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সাহসী বীর সেনানী। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তিনি দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব "বীর বিক্রম" লাভ করেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়। ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সামরিক বাহিনীতে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৬ সালে তিনি সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন। স্পিকার হিসেবে নিরপেক্ষভাবে সংসদ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করার মধ্যেই রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধানের বিধান অনুযায়ী তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি তিনি একসময় দেশের পরিচিত ফুটবলার হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। সামরিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, সংসদীয় রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম অভিজ্ঞ জননেতা হিসেবে পরিচিত। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সংবিধান রক্ষা, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন