লিয়াকত হোসেন, মতলব প্রতিনিধ:----
বিপদের দিনে যার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা মনে পড়ে, তিনিই প্রকৃত আলোর দিশারী।
এমনই এক মানবিক ও আবেগঘন মুহূর্তের বাস্তব সাক্ষী হলো আজ এক শিক্ষক পরিবার।
আজকে যখন একজন শিক্ষক তাঁর গুরুতর অসুস্থ বাবাকে নিয়ে চরম দিশেহারা অবস্থায় ছিলেন এবং সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার বন্দোবস্ত করতে গিয়ে পরিবারটি প্রায় অসহায় হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই তাঁদের মনে পড়ে মতলব উত্তর উপজেলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডাঃ বশির আহমেদ খান হৃদয়-এর কথা।
যোগাযোগ করার সাথে সাথেই ডাঃ বশির আহমেদ খান হৃদয় কালবিলম্ব না করে পরম মমতায় এগিয়ে আসেন। তিনি শুধু পরামর্শ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত স্বনামধন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে অসুস্থ বাবাকে নিজ দায়িত্বে ভর্তি করানোর সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাঁর এই সময়োপযোগী ও আন্তরিক পদক্ষেপে শিক্ষক পরিবারটি এক বিশাল দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পায়।
চিকিৎসা সেবাকে কেবল পেশা হিসেবে নয়, বরং মানবসেবার ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন এই গুণী চিকিৎসক। তাঁর এই মহানুভবতা ও মানবিক গুণাবলি প্রমাণ করে তিনি কেবল মতলব উত্তরের কৃতি সন্তান বা রত্নই নন, বরং পুরো চাঁদপুর জেলার গর্ব ও অহংকার।
দুঃসময়ে একজন শিক্ষকের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি চিকিৎসকমহলে এক উজ্জ্বল ও দৃষ্টান্তমূলক স্থাপন করেছেন। রোগীর পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল তাঁর এই মহৎ কাজের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন।
একজন প্রকৃত চিকিৎসকের একটি সংবেদনশীল হৃদয়ও থাকে- যার প্রমাণ ডা. বশির আহমেদ খান হৃদয়।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
লিয়াকত হোসেন, মতলব প্রতিনিধ:----
বিপদের দিনে যার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা মনে পড়ে, তিনিই প্রকৃত আলোর দিশারী।
এমনই এক মানবিক ও আবেগঘন মুহূর্তের বাস্তব সাক্ষী হলো আজ এক শিক্ষক পরিবার।
আজকে যখন একজন শিক্ষক তাঁর গুরুতর অসুস্থ বাবাকে নিয়ে চরম দিশেহারা অবস্থায় ছিলেন এবং সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার বন্দোবস্ত করতে গিয়ে পরিবারটি প্রায় অসহায় হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই তাঁদের মনে পড়ে মতলব উত্তর উপজেলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডাঃ বশির আহমেদ খান হৃদয়-এর কথা।
যোগাযোগ করার সাথে সাথেই ডাঃ বশির আহমেদ খান হৃদয় কালবিলম্ব না করে পরম মমতায় এগিয়ে আসেন। তিনি শুধু পরামর্শ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত স্বনামধন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে অসুস্থ বাবাকে নিজ দায়িত্বে ভর্তি করানোর সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাঁর এই সময়োপযোগী ও আন্তরিক পদক্ষেপে শিক্ষক পরিবারটি এক বিশাল দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পায়।
চিকিৎসা সেবাকে কেবল পেশা হিসেবে নয়, বরং মানবসেবার ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন এই গুণী চিকিৎসক। তাঁর এই মহানুভবতা ও মানবিক গুণাবলি প্রমাণ করে তিনি কেবল মতলব উত্তরের কৃতি সন্তান বা রত্নই নন, বরং পুরো চাঁদপুর জেলার গর্ব ও অহংকার।
দুঃসময়ে একজন শিক্ষকের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি চিকিৎসকমহলে এক উজ্জ্বল ও দৃষ্টান্তমূলক স্থাপন করেছেন। রোগীর পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল তাঁর এই মহৎ কাজের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন।
একজন প্রকৃত চিকিৎসকের একটি সংবেদনশীল হৃদয়ও থাকে- যার প্রমাণ ডা. বশির আহমেদ খান হৃদয়।

আপনার মতামত লিখুন