ইসমাইল খান টিটু:------
৬ সেপ্টেম্বর মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরীর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সমবায়ী, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। এলাকার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়, নিঃস্বার্থ ও সাদা মনের একজন মানুষ।
মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় পুরস্কারপ্রাপ্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় ফেডারেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দুইবার নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। সমবায় আন্দোলন ও পল্লী উন্নয়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদানও ছিল অনন্য। তিনি কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবার প্রসারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। চৌধুরী আব্দুল বারী রেডক্রিসেন্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কালিপুর-এর প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন তিনি।
জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি চাঁদপুর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, কুমিল্লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কো-অপারেটিভ সমিতির সাবেক সভাপতি, কুমিল্লা বার্ডের সাবেক সভাপতি এবং মতলব কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির বারবার নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বহুমুখী সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। সততা, নিষ্ঠা, মানবিকতা ও নিঃস্বার্থ সমাজসেবার কারণে তিনি মানুষের হৃদয়ে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।
মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরীর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমার মরহুম পিতার জন্য সবাই দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে ক্ষমা করে দেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ স্থান দান করেন। আমিন।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইসমাইল খান টিটু:------
৬ সেপ্টেম্বর মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরীর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সমবায়ী, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। এলাকার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়, নিঃস্বার্থ ও সাদা মনের একজন মানুষ।
মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় পুরস্কারপ্রাপ্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় ফেডারেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দুইবার নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। সমবায় আন্দোলন ও পল্লী উন্নয়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদানও ছিল অনন্য। তিনি কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবার প্রসারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। চৌধুরী আব্দুল বারী রেডক্রিসেন্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কালিপুর-এর প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন তিনি।
জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি চাঁদপুর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, কুমিল্লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কো-অপারেটিভ সমিতির সাবেক সভাপতি, কুমিল্লা বার্ডের সাবেক সভাপতি এবং মতলব কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির বারবার নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বহুমুখী সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। সততা, নিষ্ঠা, মানবিকতা ও নিঃস্বার্থ সমাজসেবার কারণে তিনি মানুষের হৃদয়ে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।
মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরীর ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমার মরহুম পিতার জন্য সবাই দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে ক্ষমা করে দেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ স্থান দান করেন। আমিন।

আপনার মতামত লিখুন