মোঃ জানিবুল আলম জনি ( মতলব দক্ষিণ) প্রতিনিধি:-----চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌরসভার গোবিন্দপুর গ্রামে চুরি হওয়া মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে এক শিশুকে ভুলভাবে চোর সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে প্রকৃত ঘটনা ভিন্নভাবে ধরা পড়লেও প্রতিবেশী ঢালী বাড়ির মৃত জাকীরের ছেলে তারেককে সন্দেহ করে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় আল আমিনের নেতৃত্বাধীন একটি গ্যাং শিশুটিকে গাছের সঙ্গে বেঁধে গরম পানি শরীরে ঢেলে দেয় এবং বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দপুর গ্রামের মরহুম রেণু প্রধানিয়ার বাড়িতে একটি মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে চুরির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশী বাড়ির শিশু তারেককে আটক করা হয়। একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তারেক চুরির সঙ্গে জড়িত নয়। তাকে ভুল সন্দেহে আটক করে নির্যাতন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে কোনো শিশুকে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মারধর বা নির্যাতন না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আল আমিন ও তার সহযোগীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মোঃ জানিবুল আলম জনি ( মতলব দক্ষিণ) প্রতিনিধি:-----চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌরসভার গোবিন্দপুর গ্রামে চুরি হওয়া মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে এক শিশুকে ভুলভাবে চোর সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে প্রকৃত ঘটনা ভিন্নভাবে ধরা পড়লেও প্রতিবেশী ঢালী বাড়ির মৃত জাকীরের ছেলে তারেককে সন্দেহ করে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় আল আমিনের নেতৃত্বাধীন একটি গ্যাং শিশুটিকে গাছের সঙ্গে বেঁধে গরম পানি শরীরে ঢেলে দেয় এবং বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দপুর গ্রামের মরহুম রেণু প্রধানিয়ার বাড়িতে একটি মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে চুরির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশী বাড়ির শিশু তারেককে আটক করা হয়। একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তারেক চুরির সঙ্গে জড়িত নয়। তাকে ভুল সন্দেহে আটক করে নির্যাতন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে কোনো শিশুকে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মারধর বা নির্যাতন না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আল আমিন ও তার সহযোগীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন