মোঃ জানিবুল আলম জনি, মতলব দক্ষিণ প্রতিনিধি:---
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কৌশিক ঘোষ ও সুপ্তি ঘোষ নামে দুই যমজ ভাই–বোন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
কৌশিক ও সুপ্তি উপজেলার ঘোষপাড়া এলাকার সজল চন্দ্র ঘোষ ও মনি রানী ঘোষ দম্পতির সন্তান। তাদের বাবা উপজেলা সদর বাজারের আদি গান্ধী ঘোষের সত্ত্বাধিকারী।
ক্ষীর, দধি ও মিষ্টির ব্যবসা করেন। মা গৃহিণী।
কৌশিক ও সুপ্তি এবার কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিজ্ঞান শাখা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। একই পরিবারের দুই যমজ ভাই–বোন জিপিএ-৫ পাওয়ায় পরিবারে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বাবা সজল ঘোষ বলেন, একই সঙ্গে ছেলে–মেয়ের ভালো ফলে তাঁদের পরিবারের সবাই খুশি।
ভালো ফলের জন্য কৌশিক ও সুপ্তি তাদের মা–বাবা, স্কুলের শিক্ষক ও অধ্যক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। কৌশিক ঘোষ ভবিষ্যতে একজন বায়োকেমিস্ট হতে চায়। আর সুপ্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানে লেখাপড়া করতে চায়।
বাবা সজল ঘোষ বলেন, একই সঙ্গে ছেলে–মেয়ের ভালো ফলে তাঁদের পরিবারের সবাই খুশি। তিনি সবার কাছে ছেলেমেয়ের জন্য শুভকামনা প্রার্থনা করেন।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রভাষক বদিউল আলম বাবু জানান, এবার তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭৪ শিক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নেয়। জিপিএ-৫ পায় ২৩ জন। কৃতকার্যের হার ৯৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে দুই যমজ ভাই–বোন জিপিএ-৫ পাওয়ায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মোঃ জানিবুল আলম জনি, মতলব দক্ষিণ প্রতিনিধি:---
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কৌশিক ঘোষ ও সুপ্তি ঘোষ নামে দুই যমজ ভাই–বোন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
কৌশিক ও সুপ্তি উপজেলার ঘোষপাড়া এলাকার সজল চন্দ্র ঘোষ ও মনি রানী ঘোষ দম্পতির সন্তান। তাদের বাবা উপজেলা সদর বাজারের আদি গান্ধী ঘোষের সত্ত্বাধিকারী।
ক্ষীর, দধি ও মিষ্টির ব্যবসা করেন। মা গৃহিণী।
কৌশিক ও সুপ্তি এবার কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিজ্ঞান শাখা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। একই পরিবারের দুই যমজ ভাই–বোন জিপিএ-৫ পাওয়ায় পরিবারে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বাবা সজল ঘোষ বলেন, একই সঙ্গে ছেলে–মেয়ের ভালো ফলে তাঁদের পরিবারের সবাই খুশি।
ভালো ফলের জন্য কৌশিক ও সুপ্তি তাদের মা–বাবা, স্কুলের শিক্ষক ও অধ্যক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। কৌশিক ঘোষ ভবিষ্যতে একজন বায়োকেমিস্ট হতে চায়। আর সুপ্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানে লেখাপড়া করতে চায়।
বাবা সজল ঘোষ বলেন, একই সঙ্গে ছেলে–মেয়ের ভালো ফলে তাঁদের পরিবারের সবাই খুশি। তিনি সবার কাছে ছেলেমেয়ের জন্য শুভকামনা প্রার্থনা করেন।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রভাষক বদিউল আলম বাবু জানান, এবার তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭৪ শিক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নেয়। জিপিএ-৫ পায় ২৩ জন। কৃতকার্যের হার ৯৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে দুই যমজ ভাই–বোন জিপিএ-৫ পাওয়ায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত।

আপনার মতামত লিখুন