ইসমাইল খান টিটু:----
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের অংশগ্রহণে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড. মো. জালালউদ্দিন এমপি।
মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, হুমায়ুন কবির ও আখতারুজ্জামানের সঞ্চালনায়,
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম জাহাঙ্গীর আলম, ছেংগারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. ইয়াছিন, ধনাগোদা তালতলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফারুকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য আলমগীর সরকার এবং ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল আমিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমাতুল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর প্রধান, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল পাটোয়ারী, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি খাইরুল হাসান বেনু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক উজ্জ্বল ফরাজী সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং উপজেলার সকল কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ড. মো. জালালউদ্দিন বলেন, শিক্ষকরাই একটি জাতির প্রকৃত কারিগর। একটি শিক্ষিত, দক্ষ, নৈতিক ও আধুনিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকার কোনো বিকল্প নেই। শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান প্রদান নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তোলাও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষকদের আরও আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও যুগোপযোগী হতে হবে। সরকার শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করছে এবং মতলব উত্তর উপজেলার শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এ উপজেলাকে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি আদর্শ মডেল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
সভায় শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শ্রেণিকক্ষে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি বৃদ্ধি, পরীক্ষার ফলাফল উন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা শিক্ষার উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন।
আপনার মতামত লিখুন