স্টাফ রিপোর্টার:-----
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সাহসী বীর সেনানী। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তিনি দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব "বীর বিক্রম" লাভ করেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সামরিক বাহিনীতে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৬ সালে তিনি সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন। স্পিকার হিসেবে নিরপেক্ষভাবে সংসদ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করার মধ্যেই রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধানের বিধান অনুযায়ী তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি তিনি একসময় দেশের পরিচিত ফুটবলার হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। সামরিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, সংসদীয় রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম অভিজ্ঞ জননেতা হিসেবে পরিচিত।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সংবিধান রক্ষা, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার:-----
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সাহসী বীর সেনানী। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তিনি দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব "বীর বিক্রম" লাভ করেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সামরিক বাহিনীতে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৬ সালে তিনি সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন। স্পিকার হিসেবে নিরপেক্ষভাবে সংসদ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করার মধ্যেই রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধানের বিধান অনুযায়ী তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি তিনি একসময় দেশের পরিচিত ফুটবলার হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। সামরিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, সংসদীয় রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম অভিজ্ঞ জননেতা হিসেবে পরিচিত।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সংবিধান রক্ষা, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন