স্টাফ রিপোর্টার:
সরকার প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপি নেতা মো. রাশেদ খাঁন। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মো. রাশেদ খাঁনকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা-সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সোমবার (২০ জুলাই) রাশেদ খাঁন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রজ্ঞাপনের কপি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিয়োগের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এ সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কার্যক্রম সমন্বয়, দলীয় যোগাযোগ রক্ষা এবং নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তার দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। তবে তার নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কার্যপরিধি সরকার পরবর্তীতে নির্ধারণ করবে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার:
সরকার প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপি নেতা মো. রাশেদ খাঁন। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মো. রাশেদ খাঁনকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা-সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সোমবার (২০ জুলাই) রাশেদ খাঁন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রজ্ঞাপনের কপি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিয়োগের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এ সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কার্যক্রম সমন্বয়, দলীয় যোগাযোগ রক্ষা এবং নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তার দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। তবে তার নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কার্যপরিধি সরকার পরবর্তীতে নির্ধারণ করবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন