ইসলাম খান টিটু:---
বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সেনাপ্রধান পল্লীবন্ধু মরহুম হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে জাতীয় পার্টি, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা দোয়া, মিলাদ মাহফিল, কোরআনখানি ও স্মরণসভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলার সদর উপজেলার ধাপ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি দেশের নেতৃত্বে আসেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা চালু, অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারণ, গ্রামীণ উন্নয়ন, সেচ ও কৃষি খাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মতো উদ্যোগ ব্যাপক আলোচিত হয়। এছাড়া ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা তাঁর শাসনামলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে।
১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। রাষ্ট্রক্ষমতা ছাড়ার পরও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা দায়িত্বও পালন করেন।
পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়ন, পল্লী জনপদের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অন্যতম রূপকার। তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, পল্লীবন্ধুর কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম এবং জনগণের কল্যাণে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দেখানো আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে জাতীয় পার্টির অঙ্গীকার।
পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনায় অবদান এবং দেশের উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন। তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
মহান আল্লাহ তাআলা যেন মরহুম পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহম্মদ এরশাদকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন—এটাই তাঁর অগণিত অনুসারী, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর প্রত্যাশা।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
ইসলাম খান টিটু:---
বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সেনাপ্রধান পল্লীবন্ধু মরহুম হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে জাতীয় পার্টি, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা দোয়া, মিলাদ মাহফিল, কোরআনখানি ও স্মরণসভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলার সদর উপজেলার ধাপ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি দেশের নেতৃত্বে আসেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা চালু, অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ সম্প্রসারণ, গ্রামীণ উন্নয়ন, সেচ ও কৃষি খাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মতো উদ্যোগ ব্যাপক আলোচিত হয়। এছাড়া ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা তাঁর শাসনামলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে।
১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। রাষ্ট্রক্ষমতা ছাড়ার পরও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা দায়িত্বও পালন করেন।
পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়ন, পল্লী জনপদের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অন্যতম রূপকার। তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, পল্লীবন্ধুর কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম এবং জনগণের কল্যাণে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দেখানো আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে জাতীয় পার্টির অঙ্গীকার।
পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনায় অবদান এবং দেশের উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন। তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
মহান আল্লাহ তাআলা যেন মরহুম পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহম্মদ এরশাদকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন—এটাই তাঁর অগণিত অনুসারী, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন