প্রিন্ট এর তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
মতলবে খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় নিয়ে নয় ছয়
||
চাঁদপুরের মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলায় সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য ও কৃষক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। দুই উপজেলার কৃষকদের দাবি, সরকারি মূল্যে ধান বিক্রি করতে হলে 'অফিস খরচ'সহ বিভিন্ন অজুহাতে কয়েক হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। ঘুষ না দিলে ধান গ্রহণ করা হচ্ছে না।মতলব উত্তরে আরও অভিযোগ উঠেছে, লটারিতে নির্বাচিত কয়েকজন কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে তাদের অজান্তেই ধান বিক্রি দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করেছে একটি চক্র।ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, খাদ্য গুদামের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে এসব অনিয়ম চলছে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে কম দামে খোলা বাজারে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।মতলব উত্তরের কৃষক তানভীর হোসেন জানান ঘুষের টাকা না দিলে সরকারি খাদ্য গুদামে ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রির কোন সুযোগই নেই।”তার কাছ থেকে শ্রমিক মজুরি, অফিস খরচ ও বিভিন্ন খরচের কথা বলে খাদ্য গুদামের অফিস সহকারী সাদ্দাম হোসেন ৫৫০০ টাকা নিয়েছেন।মতলব দক্ষিণের কৃষক ফারুক আহমদ অভিযোগ করে বলেন, “আমার কৃষি কার্ড আছে, আমি একজন প্রকৃত কৃষক। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্রও সংগ্রহ করেছি। এমনকি খাদ্য গুদাম থেকে ধান দেওয়ার জন্য বস্তাও দেওয়া হয়েছিল। সব ধরনের কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমার ধান নেওয়া হয়নি।তবে দুই উপজেলার খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, সরকারি ভ্যাট ছাড়া কোনো অর্থ নেওয়ার নিয়ম নেই। অভিযোগের সত্যতা মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্ত করে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: ইসমাইল খান টিটু।
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত খবরের দর্পন